সৌদিযাবো ডেস্ক | সর্বশেষ হালনাগাদ: ২০ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের যুবরাজ কে? সংক্ষেপে উত্তর: মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ, যিনি সংক্ষেপে MBS নামে পরিচিত। তিনি বাদশাহ সালমানের পুত্র, সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির বাস্তব শাসক (de facto ruler) হিসেবে বিবেচিত। সৌদি আরবে কাজ, ভিসা বা ওমরাহর জন্য যাওয়া বাংলাদেশিদের জন্য তাঁর নীতি ও সিদ্ধান্ত জানা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভিশন ২০৩০, শ্রমবাজার ও নতুন প্রকল্প সবকিছুর পেছনে তাঁর নেতৃত্ব রয়েছে। এই লেখায় তাঁর জন্ম থেকে বর্তমান পর্যন্ত সবকিছু একসাথে তুলে ধরা হলো।
এক নজরে মোহাম্মদ বিন সালমান
- পূর্ণ নাম: মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ
- জন্ম: ৩১ আগস্ট ১৯৮৫ (বর্তমান বয়স ৪১ বছর)
- বাবা: বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ; মা: ফাহদা বিন্ত ফালাহ বিন সুলতান আল হিথলাইন (বাদশাহ সালমানের তৃতীয় স্ত্রী)
- দাদা: আধুনিক সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা ইবনে সৌদ (আবদুল আজিজ)
- শিক্ষা: কিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক
- বর্তমান পদ: যুবরাজ (Crown Prince) ও প্রধানমন্ত্রী
- যুবরাজ হন: জুন ২০১৭
- প্রধানমন্ত্রী হন: সেপ্টেম্বর ২০২২
- স্ত্রী: প্রিন্সেস সারা বিন্ত মাশহুর বিন আবদুল আজিজ (বিয়ে ২০০৮)
- পরিচিত যেসব কারণে: ভিশন ২০৩০, পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (PIF), নিওম (NEOM), সামাজিক সংস্কার এবং খাশোগি হত্যাকাণ্ড-সংক্রান্ত বিতর্ক
জন্ম, পরিবার ও শিক্ষা
মোহাম্মদ বিন সালমান ১৯৮৫ সালের ৩১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাদশাহ সালমানের তৃতীয় স্ত্রীর প্রথম সন্তান এবং বাদশাহর সপ্তম পুত্র হিসেবে পরিচিত। রাজপরিবারের ভেতরে তিনি তুলনামূলক কম পরিচিত ছিলেন; ২০১৫ সালে বাবা বাদশাহ হওয়ার আগে দেশের বাইরের মানুষ তাঁকে প্রায় চিনতই না।
তিনি কিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনা শেষে কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়েন এবং বেসরকারি খাতে কাজ করেন। পরে মন্ত্রিপরিষদের বিশেষজ্ঞ কমিশনে উপদেষ্টা হিসেবে সরকারি কাজে যুক্ত হন। ২০০৮ সালে প্রিন্সেস সারা বিন্ত মাশহুরকে বিয়ে করেন। রাজপরিবারের ব্যক্তিগত জীবন সাধারণত গোপন রাখা হয় বলে স্ত্রী ও সন্তানদের বিষয়ে প্রকাশ্য তথ্য সীমিত।
ক্ষমতার ধাপে ধাপে উত্থান
- ২০১১–২০১২: একের পর এক যুবরাজ সুলতান ও নায়েফের মৃত্যুর পর তাঁর বাবা সালমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও পরে যুবরাজ হন। এই সময় থেকেই মোহাম্মদ বিন সালমানের ওপরে ওঠার পথ তৈরি হয়।
- ২০১৩: তাঁর বাবা যুবরাজ থাকাকালে তিনি যুবরাজের দপ্তরের প্রধান (chief of the court) হন।
- জানুয়ারি ২০১৫: বাদশাহ আবদুল্লাহর মৃত্যুর পর সালমান বাদশাহ হন। মোহাম্মদ বিন সালমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও রাজদরবারের মহাসচিব নিযুক্ত হন। তখন তিনি বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- এপ্রিল ২০১৫: মোহাম্মদ বিন নায়েফ যুবরাজ এবং মোহাম্মদ বিন সালমান উপ-যুবরাজ (Deputy Crown Prince) হন।
- জুন ২০১৭: বাদশাহ সালমানের রাজকীয় ডিক্রিতে মোহাম্মদ বিন নায়েফকে যুবরাজের পদ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে মোহাম্মদ বিন সালমানকে যুবরাজ করা হয়। তখন তাঁর বয়স ছিল ৩১।
- সেপ্টেম্বর ২০২২: বাবার স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী হন।
বর্তমানে বাদশাহ সালমান আনুষ্ঠানিকভাবে রাজা হলেও প্রতিবেদনগুলোতে মোহাম্মদ বিন সালমানকেই দেশের প্রকৃত শাসক বলে বর্ণনা করা হয়।
ভিশন ২০৩০: তাঁর সবচেয়ে বড় প্রকল্প
২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল মোহাম্মদ বিন সালমান ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করেন। এর মূল লক্ষ্য তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিকে বহুমুখী করা। এর অংশ হিসেবে:
- সরকারি বিনিয়োগ তহবিল PIF (যার সম্পদ প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার এবং যার চেয়ারম্যান তিনি) দেশ-বিদেশে বিনিয়োগ করছে।
- ২০১৭ সালে জাতীয় তেল কোম্পানি আরামকোর প্রায় ৫% শেয়ার বিক্রির পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়।
- পর্যটন, বিনোদন ও ক্রীড়ায় বড় বিনিয়োগ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি পর্যটক আনার আশার কথা তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন।
- রিয়াদ পেয়েছে এক্সপো ২০৩০ এবং সৌদি আরব পেয়েছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০৩৪ আয়োজনের সুযোগ।
- নিওম (NEOM), দ্য লাইন, রেড সি প্রজেক্ট ও কিদ্দিয়ার মতো বিশাল প্রকল্প (giga-projects) হাতে নেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক বাস্তবতা: প্রকল্পে কাটছাঁট
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু প্রকল্প ধীর হয়েছে বা ছোট করা হয়েছে:
- PIF-এর ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বড় প্রকল্পগুলোর মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার কমানো হয়েছে।
- ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস সূত্রের বরাতে প্রতিবেদন আসে, নিওম উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট ও নতুন করে ডিজাইন করা হবে।
- এপ্রিল ২০২৬-এ PIF ২০২৬–২০৩০ সালের নতুন কৌশল অনুমোদন করে। এতে বিনিয়োগের প্রায় ৮০% দেশের ভেতরে রাখার কথা বলা হয়েছে। PIF-এর গভর্নর জানান, দ্য লাইন এখন অগ্রাধিকারের তালিকায় নেই, তবে তিনি কোনো প্রকল্প বাতিল হওয়ার কথা অস্বীকার করেন।
- ২০২৬ সালের শুরুতে বিনিয়োগমন্ত্রী জানান, বাজেটের চাপে এক্সপো ও বিশ্বকাপ এখন বেশি অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এর পেছনে তেলের দাম কমে যাওয়াকেও কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
- ৪ অক্টোবর ২০২৬ রয়টার্স দুটি সূত্রের বরাতে জানায়, ২০৩৪ বিশ্বকাপের জন্য পরিকল্পিত নিওম স্টেডিয়াম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ মন্তব্য করেনি। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী রিয়াদে বিশ্বকাপের ১৫টি ভেন্যুর কাজ এগোচ্ছে।
অর্থাৎ ভিশন ২০৩০ এখন "দ্রুত সম্প্রসারণ" থেকে "লাভজনক ও বাস্তবসম্মত বাস্তবায়ন" পর্যায়ে ঢুকেছে। সমর্থকরা একে বাস্তববাদী সমন্বয় বলেন, সমালোচকরা বলেন অতি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতা এখন স্পষ্ট হচ্ছে।
সামাজিক সংস্কার
যুবরাজ হওয়ার পর মোহাম্মদ বিন সালমান সমাজে একাধিক পরিবর্তন এনেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ।
- তরুণ ও পরিবারের জন্য বিনোদনের সুযোগ বাড়ানো।
- ধর্মীয় ব্যাখ্যায় তুলনামূলক "মধ্যপন্থী" অবস্থানের কথা বলা, যা তাঁর মতে আধুনিকায়নের জন্য জরুরি।
- তরুণদের দক্ষতা বিকাশে নিজের নামে প্রতিষ্ঠিত মিসক ফাউন্ডেশন (Prince Mohammad bin Salman Foundation)-এর কার্যক্রম।
সৌদি আরবের জনসংখ্যার বড় অংশ তরুণ, তাই এসব পরিবর্তন দেশের ভেতরে বেশ আলোচিত ও অনেকের কাছে জনপ্রিয়।
শ্রম সংস্কার ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কী বদলেছে
সৌদি আরবে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ প্রবাসী কর্মী রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনের কর্মীরা বড় অংশ। ২০২৫ সালের জুনে সৌদি আরব দীর্ঘদিনের কাফালা (স্পন্সরশিপ) ব্যবস্থা বাতিল করে চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থায় যাওয়ার ঘোষণা দেয়, যা ভিশন ২০৩০-এর অংশ হিসেবে প্রচার করা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী নতুন ব্যবস্থায় কর্মীরা নিয়োগকর্তার অনুমতি ছাড়া চাকরি বদল করা এবং এক্সিট ভিসা ছাড়া দেশ ছাড়ার সুযোগ পাবেন, অভিযোগ জানানোর ডিজিটাল পথও থাকবে।
তবে বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন আছে। ২০২৬ সালের মে মাসে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা ঘোষিত সংস্কার বাস্তবে কার্যকর করার আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, মজুরি চুরি, পরিচয়পত্র আটকে রাখা, অতিরিক্ত নিয়োগ ফি ও অস্বাভাবিক মৃত্যুর মতো সমস্যা এখনো রয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচও বলেছে, আইনি সংস্কার প্রথম ধাপ মাত্র, কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি। সৌদি কর্তৃপক্ষ মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে।
কর্মীদের জন্য ব্যবহারিক পরামর্শ: বিদেশে যাওয়ার আগে চুক্তি ভালোভাবে যাচাই করুন, অতিরিক্ত অর্থ চাইলে সতর্ক হোন এবং শুধু নিবন্ধিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে যান।
পররাষ্ট্রনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
- যুক্তরাষ্ট্র: ১৮–১৯ নভেম্বর ২০২৫ মোহাম্মদ বিন সালমান হোয়াইট হাউস সফর করেন। ২০১৮ সালের পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম হোয়াইট হাউস সফর। সফরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ ১ ট্রিলিয়ন ডলারে নেওয়ার ঘোষণা দেন।
- ইরান ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা: চীনের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে হাঁটলেও ২০২৫ ও ২০২৬ সালে ইরানকে ঘিরে আঞ্চলিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে হুতিদের নতুন হামলার প্রতিবেদনও এসেছে।
- ইসরায়েল: যুবরাজ বলেছেন, তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন, তবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ তাঁর শর্ত। সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কিছু নেই।
- ইউরোপ ও অন্যান্য: আগস্ট ২০২৬-এ তিনি প্যারিসে একটি বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
- আসন্ন আয়োজন: ২৬–২৯ অক্টোবর ২০২৬ রিয়াদে ১০ম ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (FII) ফোরাম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা, যেখানে অংশ নিতে তাঁর পক্ষ থেকে বিভিন্ন দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বিতর্ক ও সমালোচনা
নিরপেক্ষ প্রতিবেদনের স্বার্থে সমালোচনার দিকটিও জানা দরকার।
- জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ড (২০১৮): তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনসুলেটে ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট জামাল খাশোগি নিহত হন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, যুবরাজ খাশোগিকে আটক বা হত্যার অনুমোদন দিয়েছিলেন। মোহাম্মদ বিন সালমান জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন। ২০২৫ সালের সফরে তিনি ঘটনাটিকে "বেদনাদায়ক" বলেন এবং বলেন তাঁর সরকার তদন্তের সব পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সে সময় তাঁর পক্ষে অবস্থান নেন। খাশোগির স্ত্রী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এর তীব্র সমালোচনা করে।
- ভিন্নমত দমন: ২০১৭ সালে রাজপরিবারের কয়েকজন সদস্যসহ অনেককে আটক করা হয়েছিল। হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ বিভিন্ন সংস্থা বলছে, সাংবাদিক, অধিকারকর্মী ও সমালোচকদের কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে।
- মৃত্যুদণ্ড: ২০২৫ সালে নভেম্বরের মধ্যেই প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে বলে মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলেছে এবং তারা এটিকে রেকর্ড বলে উল্লেখ করেছে।
- ইয়েমেন যুদ্ধ ও আঞ্চলিক নীতি: ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচিত হয়েছে।
সৌদি সরকার ও সমর্থকরা বলেন, সংস্কারের ধারা, অর্থনৈতিক রূপান্তর ও নিরাপত্তা বজায় রাখার প্রেক্ষাপটে এসব সমালোচনা অতিরঞ্জিত বা একপেশে।
উত্তরাধিকার ও ভবিষ্যৎ
মোহাম্মদ বিন সালমান বর্তমানে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী। তাঁর পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে উপ-যুবরাজ-সংক্রান্ত পদে তাঁর ভাই খালিদ বিন সালমানের নাম উল্লেখ আছে বলে কিছু সূত্রে দেখা যায়, তবে এ বিষয়ে সম্পাদকীয় যাচাই প্রয়োজন। সামনে তাঁর মূল চ্যালেঞ্জগুলো হলো তেলের দামের অস্থিরতা, ভিশন ২০৩০-এর বাস্তবায়ন, এক্সপো ২০৩০ ও বিশ্বকাপ ২০৩৪-এর প্রস্তুতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা।
সৌদিযাবো পাঠকদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
ভিশন ২০৩০, এক্সপো ও বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এবং পর্যটন ও হজ-ওমরাহ খাতের সম্প্রসারণ সৌদি আরবে কর্মসংস্থান ও ভিসা নীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলে। তাই সৌদি আরবের নীতিগত দিক জানা থাকলে কাজ, ভিসা ও ভ্রমণ সম্পর্কে ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
তথ্যসূত্র
- উইকিপিডিয়া ও সিম্পল উইকিপিডিয়া: মোহাম্মদ বিন সালমান
- আল জাজিরা: মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রোফাইল (২০১৭)
- রয়্যাল সেন্ট্রাল: জীবনী
- রয়টার্স (৪ অক্টোবর ২০২৬): নিওম স্টেডিয়াম স্থগিত-সংক্রান্ত প্রতিবেদন
- ইউরোনিউজ (জানুয়ারি ২০২৬), এজিবিআই (ফেব্রুয়ারি ২০২৬): নিওম ও PIF-এর অগ্রাধিকার পরিবর্তন
- হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, হিউম্যান রাইটস ফার্স্ট, সিপিজে-সহ সংগঠনগুলোর বিবৃতি (নভেম্বর ২০২৫)
- জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞদের বিবৃতি (১৯ মে ২০২৬): কাফালা সংস্কারের বাস্তবায়ন
- কুয়েত টাইমস/KUNA: ১০ম FII ফোরামের আমন্ত্রণ (অক্টোবর ২০২৬)
✈️ এই বিষয়ে সাহায্য দরকার?
হজ্জ, উমরাহ ও সৌদি ভিসা নিয়ে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে আমরা আছি।